৪,৫০০টি হামলার পরেও ইরান এখনও পাল্টা আঘাত করে যাচ্ছে। - bdviral38.online

bdviral38.online

সর্বশেষ আপডেট অনুসারে, একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা ব্যাপক জনসাধারণের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। সূত্র জানিয়েছে যে পরিস্থিতি দ্রুত বিকশিত হচ্ছে, যার ফলে সংবাদ প্ল্যাটফর্ম এবং সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে আলোচনা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। কর্তৃপক্ষ বিষয়টি পর্যালোচনা করছে এবং আরও যাচাইকৃত তথ্য বেরিয়ে আসার সাথে সাথে স্বচ্ছতার আশ্বাস দিয়েছে। পাঠকদের এই উন্নয়নশীল গল্পের সঠিক আপডেট এবং বিস্তারিত কভারেজের জন্য নির্ভরযোগ্য উৎসগুলি অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

Breaking

Home Top Ad

Post Top Ad

Sunday, 8 March 2026

৪,৫০০টি হামলার পরেও ইরান এখনও পাল্টা আঘাত করে যাচ্ছে।

 


যুদ্ধের ৯ দিন। ৪,৫০০ হামলা। তবুও ইরান এখনও পাল্টা আঘাত করছে। যা আপনাকে বলা হচ্ছে না, তা এখানে।

সাম্প্রতিক যে সবচেয়ে বিস্তারিত যুদ্ধক্ষেত্রের মানচিত্র প্রকাশ হয়েছে, সেখানে দেখা যাচ্ছে অবিশ্বাস্য সব তথ্য।
মাত্র ৯ দিনে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল মিলে ইরানের ভেতরে ৪,৫০০টি হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইরান ৩,৫০০টি আক্রমণ চালিয়েছে, যার মধ্যে ৯০৫টি ছিল ব্যালিস্টিক মিসাইল।
একবার ভাবুন ব্যাপারটা।
৪,৫০০টি হামলার পরেও ইরান এখনও পাল্টা আঘাত করে যাচ্ছে।
ইরানের ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কেও বড় দাবি করা হচ্ছে:
* ইরানের নৌবাহিনী: প্রায় ধ্বংস। বন্দর ও সমুদ্রে অনেক জাহাজ ডুবে গেছে।
* ইরানের বিমানবাহিনী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। বেশিরভাগ বিমানঘাঁটি ধ্বংস হয়েছে।
* ইরানের নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র টার্গেট করা হয়েছে। সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনেক কেন্দ্র আঘাত পেয়েছে।
* ইরানের তেল সংরক্ষণাগার আজ রাতেও একের পর এক লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে।
* যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের বেশ কয়েকটি ড্রোন ইরানের আকাশে গুলি করে ভূপাতিত করা হয়েছে।
তবে অন্যদিকে ইরানও বড় ধরনের আঘাত করেছে:
* ইরান ৪টি AN/TPY-2 THAAD রাডার সিস্টেমে আঘাত করেছে, ফলে পুরো অঞ্চলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার বড় অংশ অন্ধ হয়ে গেছে।
* ইরান আজারবাইজানের বেসামরিক বিমানবন্দরে হামলা করেছে, যার ফলে ইউরোপ ও এশিয়ার মধ্যে একমাত্র সরাসরি আকাশপথ বন্ধ হয়ে গেছে।
* কুয়েতের বিমানবন্দর, বাহরাইনের বন্দর এবং উপসাগরীয় তেল অবকাঠামো বহু জায়গায় আগুন জ্বলছে।
* IRGC এর এখনও বহু অঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা লক্ষাধিক সশস্ত্র সদস্য রয়েছে।
* হরমুজ প্রণালী এখনও বন্ধ।
যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে তারা ইরানের ৭০% মিসাইল লঞ্চার ধ্বংস করেছে। কিন্তু সমস্যা হলো, ইরানের ভূখণ্ড বিশাল এবং পাহাড়ি। ফলে অনেক লঞ্চার এমন জায়গায় লুকানো যেখানে স্যাটেলাইটেও ধরা পড়ে না। আর যেটা খুঁজে পাওয়া যায় না, সেটাকে বোমা মেরে ধ্বংস করাও সম্ভব না। তাই ইরানের পাল্টা হামলা চলতেই পারে।
মিডিয়ায় আমাদের দেখানো হচ্ছে ধ্বংস হয়েছে ইরানের বিমানঘাঁটি এবং বলা হচ্ছে “Victory”।
কিন্তু তারা এসব দেখাচ্ছে না:
* মার্কিন বিমানবাহী রণতরী ভূমধ্যসাগর ছেড়ে দ্রুত সুয়েজ খাল পার হয়ে উপসাগরের দিকে যাচ্ছে, কারণ হরমুজ প্রণালী এখনও খোলা যায়নি।
* ১২টি যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করেছে এবং পূর্ব ভূমধ্যসাগরে কমান্ড নিয়েছে, কারণ সেখানে শূন্যতা তৈরি হয়েছে।
* আরেকটি মার্কিন ক্যারিয়ার গ্রুপ শক্তিবৃদ্ধি হিসেবে পাঠানো হচ্ছে।
অথচ এর কোনো জাহাজ এখনো ঘটনাস্থলে নেই, তাদের দুইটি বিমানবাহী রণতরীই এখনও বন্দরে নোঙর করা।
প্রশ্ন উঠছে, যদি যুদ্ধ পরিকল্পনা অনুযায়ীই এগোতো, তাহলে পুরো পশ্চিমা নৌবহরকে কেন নতুন করে মোতায়েন করতে হচ্ছে?
আগামী সপ্তাহেই অনেক কিছু নির্ধারিত হবে:
- যুক্তরাষ্ট্রের কাছে কি যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার মতো যথেষ্ট গোলাবারুদ আছে?
- ইরান কি দীর্ঘ সময় ধরে পাল্টা হামলা চালিয়ে যেতে পারবে? - ইরানের ভেতরে কি গণবিক্ষোভ শুরু হবে, নাকি মানুষ সরকারকে সমর্থন করে একত্রিত হবে?
- Ford ক্যারিয়ার গ্রুপ কি সত্যিই হরমুজ প্রণালী আবার খুলতে পারবে?
উপসাগরীয় দেশগুলো তাদের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেয়েছে। তাদের অর্থনীতি দাঁড়িয়ে আছে তেল, বাণিজ্য এবং স্থিতিশীলতার উপর। মাত্র কয়েক দিনের যুদ্ধে সেই ভিত্তিই নড়বড়ে হয়ে গেছে।
ইরানের জন্য এই যুদ্ধ জেতা জরুরি নয়। তাদের লক্ষ্য হতে পারে যুদ্ধটাকে অর্থনৈতিকভাবে এত ব্যয়বহুল করে তোলা যে সেটি সহ্য করা অসম্ভব হয়ে যায় ওয়েস্টের জন্য।
উপসাগরের বিমানবন্দরগুলো জ্বলছে, তেল ডিপোতে হামলা হচ্ছে, আর যতদিন হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকবে, ততদিন যুদ্ধের খরচ বাড়তেই থাকবে।
৪,৫০০টি হামলার পরও ইরান এখনও পাল্টা আঘাত করছে।
এই যুদ্ধে হয়তো কেউ সরাসরি জিতছে না। কিন্তু নিশ্চিতভাবে বলা যায়, এর মূল্য পুরো পৃথিবীকেই দিতে হতে পারে।

No comments:

Post a Comment

Post Bottom Ad

Pages